
আলী হাসান উসামা
লেখক ও গবেষক
লেখক সম্পর্কে
আলী হাসান উসামা ১৯৯৫ সালের ২২ আগস্ট শাহজালালের স্মৃতিবিজড়িত পুণ্যভূমি সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। হিফজ সম্পন্ন করেন সিলেটের ঐতিহ্যবাহী জামিয়া দারুস সালামে। কওমি শিক্ষাবোর্ড বেফাকের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় সারা দেশে প্রথম স্থান অর্জন করেন। দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স সমমান) সম্পন্ন করেন ঢাকার উত্তরা ২-এর প্রসিদ্ধ বাইতুস সালাম মাদরাসা থেকে। টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে প্রায় এক মাস শয্যাশায়ী থাকার পরও কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় সারা দেশে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করেন। পরে মারকাযুদ দাওয়াহয় ফতোয়া বিভাগে দু-বছর উচ্চতর পড়াশোনা করেন এবং ঢাকার আরেকটি প্রতিষ্ঠান থেকেও মুফতি হিসেবে সনদ অর্জন করেন।
তিনি একাধিক প্রতিষ্ঠানে পরিচালক, শায়খুল হাদিস ও মুফতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সহিহ বুখারি, সুনানুত তিরমিজি, ফাতাওয়া শামিসহ আকিদা ও উসুলের গুরুত্বপূর্ণ কিতাবের দারস দিয়েছেন। বাংলা, আরবি ও উর্দু ভাষায় তার সমান দক্ষতা রয়েছে। তার রচিত, অনূদিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা পঞ্চাশেরও বেশি।
বর্তমানে তিনি মিরপুর ১১-এর বাইতুস সালাত জামে মসজিদের খতিব। ২০১৮ সাল থেকে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ওয়াজ-মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় তরুণ ইসলামি বক্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
ভাস্কর্য ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গণগ্রেফতারির সময় ২০২১ সালের ৫ মে থেকে ২০২২ সালের ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের দায়ের করা মিথ্যা মামলায় তিনি কারাবরণ করেন। কারামুক্তির পর তিনি ইসলামি ধারার নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
আলেম, লেখক, বক্তা ও সংগঠকের পাশাপাশি তিনি একজন উদ্যোক্তা ও এমএমএ ফাইটার। মিরপুর ১১ মেট্রো স্টেশনের পাশে তার প্রতিষ্ঠিত একটি জিম ও এমএমএ সেন্টার রয়েছে। বহুমুখী প্রতিভা, জ্ঞানচর্চা, দাওয়াহ ও নেতৃত্বের সমন্বয়ে তিনি সমকালীন তরুণ আলেমদের মধ্যে একটি উজ্জ্বল ও সম্ভাবনাময় নাম।

