

দুই বই একসাথে — প্রজেক্ট ৭০৬ + টার্গেট তেহরান
একই লড়াইয়ের দুই পাশ, এক প্যাকেজে।
| ১. প্রজেক্ট-৭০৬ | ৳৫২০ |
| ২. টার্গেট তেহরান | ৳৫৫০ |

বইগুলোর প্রিন্টিং মান এবং সূচিপত্র এক নজরে দেখে নিতে পারেন
প্রজেক্ট ৭০৬ — অনুবাদ নয়, বাংলাদেশি লেখকের রচনা
টার্গেট তেহরান — WSJ Best Book of the Year বিজয়ী
একটাই লড়াই, দুটো ভিন্ন জায়গা থেকে দেখা
দুটোই ইতিহাসের বই, পড়তে গিয়ে মনে হবে না
একটা বই বলে, কীভাবে একটা রাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে গেল।
আরেকটা বই বলে, কীভাবে আরেকটা রাষ্ট্র সেটা ঠেকাতে দুই দশক ধরে ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।
দুটো গল্প আলাদা রাষ্ট্রের, আলাদা দশকের, আলাদা ভাষায় লেখা। কিন্তু একটা ছাড়া আরেকটা পড়লে ছবিটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে আজ গোটা দুনিয়া এককাট্টা। কারণ একটাই — ইরানের হাতে যেন পারমাণবিক ক্ষমতা কোনোভাবেই না পৌঁছায়।
অথচ বহু বছর আগে ঠিক এই কাজটাই একবার হয়ে গিয়েছিল। এশিয়ার এক দরিদ্র, সংকটে জর্জরিত রাষ্ট্র বানিয়ে ফেলেছিল মুসলিম বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র।
একটি গরিব দেশ কীভাবে পারল, যা তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোও পারেনি?
উত্তরটা শুরু হয় ইউরোপের এক পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র থেকে — সেখানকার সবচেয়ে সংবেদনশীল নকশা, আর জার্মান ভাষায় লেখা একটা দলিল, যা এক সময় ভুল মানুষের হাতে চলে যায়।
তারপর আসে চিরবৈরী প্রতিবেশীর বারবার হামলার চেষ্টা। আসে আরেকটি রাষ্ট্রের গোপন পরিকল্পনা। আসে ফাঁকা কোষাগারে এত বড় প্রকল্প চালানোর প্রশ্ন — টাকা এলো কোথা থেকে, কী শর্তে।
আর আসে পর্দার আড়ালের মানুষগুলো — যাদের ব্যক্তিগত জীবনের ছোট ছোট সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছিল বড় ইতিহাসের মোড়।
বাংলায় এই বিষয়ে এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক গ্রন্থ। অনুবাদ নয়। ইতিহাসের বই, কিন্তু পড়তে গিয়ে মনে হবে থ্রিলার।
ওপর পাশের গল্পটা এখানে।
২০১৮ সালে তেহরানের এক গুদাম থেকে ইরানের গোটা পারমাণবিক আর্কাইভ — পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি পাতা — নিমেষে উধাও হয়ে যায়। এই বই সেই অভিযানের ভেতরের গল্প বলে।
সাইবার হামলা, বিজ্ঞানীদের গুপ্তহত্যা, ইরানের সাপ্লাই চেইনে ইচ্ছাকৃত ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্রাংশ ঢুকিয়ে দেওয়া — আর একই সাথে আরব রাজধানীগুলোতে চলা গোপন কূটনীতি, যা শেষে রূপ নেয় প্রকাশ্য চুক্তিতে।
লেখক দুজন সাংবাদিক — একজন জেরুজালেম পোস্ট-এর, আরেকজন জেরুজালেম রিপোর্ট-এর সাবেক সম্পাদক। বইটি লেখা হয়েছে সরাসরি সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে, যার মধ্যে আছেন ইসরাইলের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান নিজেও।
বইটি জিতেছে Wall Street Journal-এর Best Book of the Year (Politics) সম্মাননা এবং Natan Notable Book Prize। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা CIA-র নিজস্ব জার্নালেও বইটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
যারা ঠেকাতে চায়, তাদেরই মুখ থেকে শোনা গল্প।
টার্গেট তেহরান লিখেছেন দুজন ইসরায়েলি সাংবাদিক, ইসরাইলের নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে। আমরা বইটি এনেছি এই কারণে যে, প্রতিপক্ষকে বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তার নিজের মুখের ভাষা শোনা। বইয়ে যা লেখা আছে তা লেখকদ্বয়ের বিশ্লেষণ ও দাবি — আমাদের সমর্থন বা প্রচার নয়। পাঠক নিজেই বিচার করবেন।
একা প্রজেক্ট ৭০৬ পড়লে জানবেন, একটা রাষ্ট্র কীভাবে পারমাণবিক ক্ষমতা পেয়েছিল।
একা টার্গেট তেহরান পড়লে জানবেন, আরেকটা রাষ্ট্র কীভাবে সেটা ঠেকানোর চেষ্টা করছে।
দুটো একসাথে পড়লে বোঝা যায়, এই লড়াইটা আসলে কেমন — দুই পক্ষ থেকেই।
টার্গেট তেহরান কি সাম্প্রতিক ইসরাইল-ইরান যুদ্ধের ব্যাখ্যা দেয়?
না। বইটি লেখা হয়েছে ২০২৩ সালে, তার আগের দুই দশকের গোপন অভিযান নিয়ে। ২০২৪-২৫-এর সরাসরি সংঘাত এতে নেই — এটাই সেই লড়াইয়ের পটভূমি।
দুটো বই কি একই মত পোষণ করে?
না, এবং সেটাই উদ্দেশ্য। একটা লেখা হয়েছে বাংলাদেশি লেখকের হাতে, আরেকটা ইসরায়েলি সাংবাদিকদের হাতে — দুই ভিন্ন পক্ষ থেকে। পাঠক দুটো পাশ দেখে নিজে সিদ্ধান্ত নেবেন।
বইগুলো কবে হাতে পাব?
প্রকাশের দিনেই কুরিয়ারে পাঠানো হবে ইনশাআল্লাহ। প্রকাশের তারিখ: [___]।
একটা বই আলাদা করে কেনা যাবে?
হ্যাঁ, তবে ব্যান্ডলে নিলে দাম ও ডেলিভারি দুটোতেই সাশ্রয় হয়।
টাকা কি আগে দিতেই হবে?
না, ক্যাশ অন ডেলিভারি আছে।
টার্গেট তেহরান কি অনুবাদ?
হ্যাঁ। মূল ইংরেজি বই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে (উপরে উল্লেখিত)। প্রজেক্ট ৭০৬ সম্পূর্ণ মৌলিক বাংলা রচনা।


একই লড়াইয়ের দুই পাশ, এক প্যাকেজে।
| ১. প্রজেক্ট-৭০৬ | ৳৫২০ |
| ২. টার্গেট তেহরান | ৳৫৫০ |

